টেমসসুরমাডেক্স: এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগে চিকিৎসাধীন রোগীদের ওপর হামলা চালিয়েছে একদল লোক। সোমবার (২৪ মার্চ) রাত ৯ টায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ হামলায় নার্স পুলিশসহ ৪ জন আহত হন।
আহতরা হলেন, ওসমানীর নার্স জাহেদুল ইসলাম (২৮) ও দিলোয়ার হোসেন (২৪), উইমেন্স মেডিকেলের নার্স রাসেল আহমদ (২৮), পুলিশ সদস্য সুভাস দাশ (৩২)।
এ ঘটনায় পুলিশ তিনকে আটক করে নিয়ে যায়৷ আটকর হলেন, গিয়াস উদ্দিন রানা (৩৫), মোস্তাক হোসেন (২২) এবং আব্দুল রুহিন (২২)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় ইফতারের পর সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়াকে কেন্দ্র করে পথচারীদের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধলে ৪ জন আহত হন৷ হামলাকারীদের কাউকে চেনা যায়নি। পরে আহতদের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।
কিছুক্ষণ পরেই হামলাকারীদের এক পক্ষ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন৷ একপর্যায়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী, নার্স ও ব্রাদারদের ওপর হামলা চালায় বহিরাগতরা।
আহত পুলিশ সদস্য সুভাস দাশ বলেন, হাসপাতালে মারামারি দেখে আমি এগিয়ে এলে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পাবলিক ভেবে আমাকে মারধর করা হয়। আমি এখন আহত অবস্থায় ওসমানীতে ভর্তি আছি৷
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আজ রাত আটটার দিকে চৌহাট্টা এলাকায় সংঘর্ষের পর আহতরা এসে ভর্তি হোন ওসমানীতে। আগের সংঘর্ষের জেরে বহিরাগতরা এসে আহতদের ক্যাজুয়ালটি বিভাগে এসে হামলা করে। এসময় নার্স ও ব্রাদাররা প্রতিহত করতে গেলে তাদেরকে মারধর করা হয়৷
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ তাৎক্ষণিক ওসমানী মেডিকেলের জরুরি বিভাগে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। এ ঘটনায় অন্তত ৮জন আহত হয়েছেন৷ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।